কাটা ঘা দ্রুত শুকাতে এবং সংক্রমণ রোধে এন্টিবায়োটিক ঔষধ অত্যন্ত কার্যকরী হয়ে থাকে। কাটা জায়গায় ঘা হলে তা সঠিকভাবে যত্ন না নিলে বিভিন্ন সংক্রমণ, পুঁজ জমা এবং ক্ষত তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কাটা ঘা দ্রুত শুকাতে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে এন্টিবায়োটিক ঔষধের ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ গুলো ক্ষতস্থানের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করার পাশাপাশি দ্রুত ঘা শুকাতে অত্যন্ত কার্যকরী হয়ে থাকে। এই পোস্টে আমরা জানবো কাটা ঘা শুকানোর সেরা এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম, মূল্য, ব্যবহারের পদ্ধতি এবং ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে।
কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এবং ব্যবহারের নির্দেশনা।
বিভিন্ন কারনেই আমাদের শরীরের যেকোনো অংশ কেটে যেতে পারে এবং কাটা স্থানে ঘা হতে পারে। কাটা স্থানের ঘা দ্রুত শুকাতে কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর বিকল্প নেই। তাই কাটা ঘা দ্রুত শুকাতে ঔষধের সঠিক ব্যবহার এবং ঘা শুকানোর সঠিক উপায় জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সঠিক যত্নের অভাবে ঘা গুরুতর সমস্যার কারণ হতে পারে। কাটা ঘা যদি দীর্ঘ সময় খোলা থাকে তাহলে সংক্রমণ, পুঁজ জমা এবং তীব্র ব্যথার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত কাটা ঘা শুকাতে সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন।
কাটা ঘা এর কেন দ্রুত চিকিৎসা করা প্রয়োজন?
কাটা জায়গায় ঘা হলে দ্রুত চিকিৎসা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা কাটা ঘা এর সময়মতো চিকিৎসা না করানো হয় তবে এটি আরোও বড় সংক্রমণের কারণ হতে পারে। এই সংক্রমণ থেকে ঘা এর মধ্যে পুঁজ জমা, ফোলাভাব এবং তীব্র ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের ক্ষেত্রে কাটা ঘা আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে থাকে। ডায়াবেটিস রোগিদের ক্ষত দ্রুত শুকায় না ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই ঘা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি পরিষ্কার রাখা, সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
শরীরের কোথাও কেটে গেলে এবং কাটা স্থানে ঘা হলে সঠিক যত্ন ও সঠিক চিকিৎসা দ্রুত কাটা ঘা শুকাতে সাহায্য করে। তাই কাটা স্থানপ ঘা হলে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া অতিব জরুরি।
কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর নাম ।
অনেক সময় আমরা পরে গিয়ে কিংবা যেকোনো ছোট খাটো এক্সিডেন্ট করে আমাদের হাত পা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে যায়। অনেক সময় দেখা যায় যে এ কেটে যাওয়া ক্ষত স্থানটি বেশ গভীর হয়ে থাকে। তখন এ ক্ষত স্থানের ঘা নিরাময় করতে সাধারন ঔষধ বা ট্যাবলেট এটি প্রতিকার করতে ব্যার্থ হয়। যার ফলে আমাদের কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করতে হয়। নিচে কাটা ঘা এবং গভীর ক্ষত শুকানোর এন্টিবায়োটিক নিয়ে আলোচনা করা হলো।
কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর নাম গুলো হলো:
- ফ্লু-ক্লক্সাসিলিন সোডিয়াম ভিপি-(Flucloxacillin Sodium BP) সিরাপ
- ফাইলোপেন ডিএস-( Phylopen DS ) ট্যাবলেট
- ফ্লুক্লক্স ৫০০-( Fluclox 500 ) ট্যাবলেট
- সিপ্রো-এ ৫০০-( Cipro-A 500 ) ট্যাবলেট
- পেনটিডস ৪০০-( Pentids 400 ) ট্যাবলেট
- সেফিক্সিন এ ২০০ মি.গ্রা. ( Cefixime A 200 mg ) ট্যাবলেট
- সারজেল ৪০ মি.গ্রা. ( Sergel 40 mg ) ট্যাবলেট
উল্লেখিত ঔষধ গুলোর যেকোন একটি একটি ঔষধ সঠিকভাবে সেবন করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে কেটে যাওয়া ক্ষত স্থানটি শুকাতে শুরু করবে।
কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর ব্যবহার বিধি।
অনেক সময় দেখা যায় যে শরীর কোনো রোগ দ্বারা আক্রান্ত হলে তা নিরাময় করার জন্য আমরা নানা রকমের ঔষধ সেবন করে থাকি। কিন্তু তার কোনো আসানূরুপ ফলাফল পাওয়া যায় না তার কারণ হচ্ছে ঔষধ বা এন্টিবায়োটিক সঠিকভাবে সেবন না করা। যার ফলে রোগটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। তাই কোনো রোগের জন্য ঔষধ সেবন করলে তার পুরোপুরি ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে।
নিচে কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর ব্যবহার উল্লেখ করা হলো :
- Flucloxacillin Sodium BP : ফ্লু-ক্লক্সাসিলিন সোডিয়াম ভিপি প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ২ টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ১৩ টাকা এবং ১ পাতার মূল্য ১১৫ টাকা।
- Phylopen DS 500 mg : ফাইলোপেন ডিএস প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে দু’বেলা ২ টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। বাচ্চাদের ১টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ১৪ টাকা।
- Fluclox 500 mg : এটি প্রাপ্তবয়স্করা দিনে তিনবার ৩/২ টি ট্যাবলেট সেবন করবে। বাচ্চাদের ১ টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ১০ টাকা এবং ১ পাতার মূল্য ৯৫ টাকা।
- Cipro-A 500 mg : সিপ্রো-এ ৫০০ প্রাপ্তবয়স্করা দিনে দু’বেলা ১/২ টি ট্যাবলেট সেবন করবে। বাচ্চাদের ১টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ১৪ টাকা এবং ১ পাতার মূল্য ১৪০ টাকা।
- Pentids 400 mg : এই ঔষধটি প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে দু’বেলা ৩ টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। বাচ্চাদের ২টি ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ৪ টাকা।
- Cefixime A 200 mg : সেফিক্সিন এ ২০০ মি.গ্রা. এই এন্টিবায়োটিকটি দিনে এক বেলা সেবন করতে হবে। সেফিক্সিন এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ৩৫ টাকা এবং ১ পাতার মূল্য ২৪৫ টাকা।
- Sergel 40 mg : সারজেল ৪০ মি.গ্রা. এই এন্টিবায়োটিকটি দিনে দু’বেলা সেবন করতে হবে। এর ১ টি ট্যাবলেটের মূল্য ১১ টাকা এবং ১ পাতার মূল্য ১১ টাকা।
উল্লেখিত নিয়ম অনুসারে এন্টিবায়োটিক গুলোর যেকোনে একটি সেবন করলে দ্রুত সময়ের কাটা ঘা শুকাতে শুরু করবে।
কাটা ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় কি ?
শরীরে কোনো জায়গা কেটে গেলে আমরা তা নিরাময় করার জন্য প্রথমেই বিভিন্ন ট্যাবলেট বা কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করে থাকি। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই এ কাটা ঘা বা ক্ষত নিরাময় করা সম্ভব। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কাটা ঘা বা ক্ষত শুকানোর ঘরোয়া উপায় গুলো সম্পর্কে।
কাটা ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় গুলো হলো:
মধু
মধু শরীরে কাটা স্থান শুকাতে দারুণ ভাবে কার্যকর একটি ঔষধ হিসেবে কাজ করে থাকে। ক্ষত সারাতে কাটা স্থানের মধ্যে সরাসরি মধু লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিতে হবে। প্রতিদিন ২ বার ২-৩ দিন এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
হলুদ
হলুদ আমাদের শরীরের অ্যান্টিসেপটিক হিসে কাজ করে থাকে। প্রথমে পরিমান মতো এক চা চামচ হলুদ নিন এবং তাতে পরিমান মতো পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর তা শরীরে কাটা স্থানে লাগান এবং শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা ত্বকের যেকোন ক্ষত বা ঘা শুকাতে দারুণ কার্যকরী একটি উপাদান। প্রথমে তাজা অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল বের করে নিয়ে তা পেস্ট করে নিতে হবে। এরপর পেস্ট ক্ষত বা কাটা স্থানে লাগাতে হবে। এ পদ্ধতি দিনে দু’বার করে ২ দিন ব্যবহার করতে হবে।
লবন পানি
শরীরের কোথাও কেটে গেলে লবন পানি সে যায়গার ইনফেকশন প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। প্রথমে এক গ্লাস পরিমান পানি গরর করে লবন দিয়ে তা ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর কোন একটি পরিষ্কার কাপড় সে পানি দিয়ে ভিজিয়ে কাটা স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। দিনে ২ থেকে ৩ বার ২ দিন এ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
গাজরের পেস্ট
গাজর হলো একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিডেন্ট যা আমাদের ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে।কাটা স্থানে গাজর প্রয়োগ করতে প্রথমে একটি গাজরকে ভালো করে পেস্ট করে নিতে হবে।এরপর কাটা বা ক্ষতস্থানে তা লাগিয়ে দিতে হবে। এভাবে দিনে ২ বার এবং ২ থেকে ৩ দিন এ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
তবে যদি কোন গভীর ক্ষত হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করতে হবে।
কাটা ঘা হলে ডাক্তারের কাছে কখন যাবেন ?
কাটা ঘা সাধারণত ঘরোয়া চিকিৎসা এবং সাধারণ ঔষধে ভালো হয়ে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে কাটা স্থানের ঘা শুকাতে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পরে। ক্ষত স্থানে যদি নিচে উল্লেখিত লক্ষণগুলো প্রকাশিত হয় তাহলে দেরি না করে অতিবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।
লক্ষণ গুলো হলো:
- কাটা ঘা এর মধ্যে পুঁজ জমা হলে।
- কাটা স্থানে তীব্র ব্যথা এবং ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে।
- ঘা এক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে।
- কাটা স্থান সহ চারপাশ লালচে এবং ফোলে গেলে।
- কাটা স্থানে ঘা হওয়ার পর জ্বর হওয়া।
- পূর্বে থেকে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত থাকলে।
কাটা জায়গায় ঘা হলে উল্লেখিত এই লক্ষণ গুলো প্রকাশিত হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
কাটা জায়গা শুকানোর খাবার এর নাম।
এতোক্ষণ আমরা আলোচনা করেছি কাটা ঘা শুকানোর এন্টিবায়োটিক ঔষধ এবং কাটা ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। কিন্তু আমরা কি জানি যে বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আমাদের শরীরের কাটা জায়গা শুকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কাটা জায়গা শুকানোর খাবার গুলো কি কি।
নিচে কয়েকটি কাটা জায়গা শুকানোর খাবার এর নাম উল্লেখ করা হলো :
- লেবু
- কমলা
- পেয়ারা
- মোসাম্বি
- আখরোট বাদাম
- সূর্যমখীর বীজ
- মুরগির মাংস
- গরুর কলিজা
- সেদ্ধ ডিম
- পালন শাক
- পাতা কপি
- সরিষা শাক
- মিষ্টি আলু
- পনির
- গাজর
- দুধ ইত্যাদি
খাবার গুলো থেকে ২ থেকে ৩ টি খাবার নিয়মিত গ্রহন করলে ক্ষতস্থান দ্রুত শুকিয়ে যেতে শুরু করবে।
কাটা ঘা না শুকানোর কারন গুলো কি ?
আমাদের শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা গভীর ক্ষত হলে তা নিরাময় করার জন্য আমরা নানা রকমের ঔষধ এবং এন্টিবায়োটিক সেবন করে থাকি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে এতো ঔষধ সেবন কারা পরেও ক্ষত স্থান বা কাটা জায়গা শুকায় না বরং আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
এমনটি হওয়ার বেশ কয়েকটি কারন রয়েছে। যদি আপনার শরীরের কোথাও কেটে যায় এবং আপনি তা নিময়ের জন্য ঔষধ সেবন করছেন, এমতাবস্থায় আপনি কোন টক জাতীয় খাবার অধিক পরিমানে গ্রহণ করে থাকেন তাহলে ঔষধ বা এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে আসবে না।
কেননা টক জাতীয় কোনো খাবার ঔষধের কার্যকারিতা ধ্বংস করে ফলে। যে কারনে কাটা ঘা এর ঔষধ সেবন অবস্থায় টক জাতীয় খাবার গ্রহন করলে ঔষধ বা এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে আসবে না।
যদি আপনার শরীরে ডায়াবেটিস থেকে থাকে সেক্ষেত্রেও ঔষধ গুলোর গুলোর কার্যকর ফলাফল পেতে বেশ দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ঔষধ বা এন্টিবায়োটিক এর পাশাপাশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন না করার ফলের কাটা স্থান শুকাতে বেশ দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
FAQ
প্রশ্নঃ কাটা ঘা এর জন্য কোন এন্টিবায়োটিক সবচেয়ে ভালো ?
উত্তরঃ কাটা ঘা এর জন্য সেফিক্সিন ২০০ মি.গ্রা ( Cefixime-A 200 mg ) সবচেয়ে ভালো এবং ঘা শুকাতে দ্রুত কার্যকর।
প্রশ্নঃ এন্টিবায়োটিক ছাড়া ঘা শুকানো সম্ভব কি ?
উত্তরঃ ছোটখাটো কাটা ঘা ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে শুকানো সম্ভব। তবে ক্ষত গভীর হলে এন্টিবায়োটিকের গুরুত্ব লক্ষণীয়।
প্রশ্নঃ কাটা ঘা শুকানোর জন্য কত দিন সময় লাগে ?
উত্তরঃ সাধারণত কাটা ঘা ৫ থেকে ৭ দিন মধ্যে শুকিয়ে যায় যদি সঠিক যত্ন এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করা হয়। তবে কিছু ঘা শুকাতে ১০-১৪ দিন পর্যন্ত সময় নিতে পারে।
প্রশ্নঃ কাটা ঘা হয়ে গেলে কীভাবে পরিষ্কার রাখা উচিত ?
উত্তরঃ কাটা ঘা পরিষ্কার রাখতে গরম পানিতে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন এবং একটি জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখুন।